” হাতে উপর হাতের পরশ রবে না … ” ট্রিবিউট টু সঞ্জীব দা ।

559325_4799003020258_742965966_n

কীভাবে শুরু করবো বুঝতে পারছি না । অসম্ভব প্রিয় একজন মানুষ, অতি সাধারণ একজন মানুষ, যিনি খুব সহজে আপন করে নিতেন সবাইকে, যার কাছ থেকে আরো অনেক কিছু পাবো বলে আশা রাখেছিলাম আজ সেই মানুষটার চলে যাবার দিন । দেখতে দেখতে ৬ টা বছর কেটে গেল……

” ইঞ্জিনে ময়লা জমেছে
পার্টস গুলো ক্ষয় হয়েছে
ডায়নামা বিকল হয়েছে
হেডলাইট দুইটা জ্বলে না……… ”

২০০৭ সালের আজকেই এই দিনে আমাদের ছেঁড়ে চলে গেলেন দাদা । ২০০৭ সালের ১৬ নভেম্বর অসুস্থ হয়ে ভর্তি হয়েছিলেন মিরপুরের একটি হাসপাতালে। তারপর সেইদিনই অ্যাপলতে ভর্তি হতে হয়েছিল তাকে । মস্তিকের প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে টানা ৩ দিন মৃত্যুর সাথে লড়েছেন। কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসাকে উপেক্ষা করে ১৯ তারিখ চলে গেলেন না ফেরার দেশে । রাত ১২:১০ মিনিটে প্রাণোচ্ছল এই মানুষের কৃত্রিম ভাবে বেঁচে থাকার উপায় লাইফ সাপোর্ট সরিয়ে দিয়ে ডাক্তাররা তাকে শারীরিকভাবে মৃত ঘোষণা করলেন তিনি আমাদের মাঝে রয়ে গেছেন পাকা পুক্ত ভাবে । আজো সেই ৪৩ বছরের সঞ্জীবদা’কে আমরা দেখতে পাই । জীবন ঘড়ি যেন ৪৩ বছরেই থেমে গেছে। দাদা আর বড় হবেন না কিন্তু থাকবেন আমাদের সাথে । Read the rest of this entry

Advertisements

আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো … ট্রিবিউট টু রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ

Bagerhat-Photo-20

রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ । নামটা শুনলেই কানে বেজে ওঠে ” ভালো আছি ভালো থেকো / আকাশের ঠিকানায় চিঠি লেখো / দিও তোমার মালা খানি / বাউলের ঐ মনটারে / আমার ভেতর বাহিরে অন্তরে অন্তরে / আছো তুমি হৃদয় জুড়ে … ।

আজ ২১ শে জুন । ১৯৯১ সালের আজকের এই দিনে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে আমাদের ছেঁড়ে চলে গিয়েছিলেন ” প্রতিবাদী রোম্যান্টিক ” এই কবি । যিনি চালু করেছিলেন “ জিন্স-পাঞ্জাবীর ” কম্বিনেশন । হুইস্কির বাংলা নাম দিয়েছিলাম ” সোনালি শিশির “। সব থেকে বড় কথা ১৯৭৫ থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিবাদ করেছেন। যার হাত ধরেই ১৯৮৭ সালে শুরু হয়েছিল ” জাতীয় কবিতা উৎসব “। Read the rest of this entry

এসো নিপবনে …

  • প্রিয়তমা,

    কেমন আছো ? কত বেলা হলো, পবিত্র রজনী গত। তবু সাক্ষাৎ হলো না। হয়েছিল শত রাগ, সহস্র অভিমান । তবু ছিল ভালোবেসে এক আকাশ বিষণ্ণতা দূর করার ইচ্ছা। তারপর ইচ্ছা মত আঁকাআঁকি রাত্রি জুড়ে।
    আজ তুমি আমায় ছাড়া বৃষ্টি দেখো ?? দেখো কি জোছনার চাঁদ ??? জৌলসতার চাঁদরে মোড়ানো হৃদয়কে কি একবার হাজার বছরের জীর্ণ প্রকৃতির নিকট সমর্পণ করে দেওয়ার বাসনা হয় ?? তোমার কি ইচ্ছে হয় না আবার নৌকা ভাসাতে ??? আমার বড্ড ইচ্ছে হয়। ইচ্ছে হয় সারাসাত গল্প করি। তোমার আমার নিঃশব্দ গল্প।তাসের ঘরের মত ঘরটা আমার। তবু আগলে রেখেছিলাম শত ঝড় থেকে । শেষ কবে জোছনা হয়েছে মনে আছে ??? Read the rest of this entry

” এক জীবনে কতোটা আর নষ্ট হবে, এক মানবী কতোটা আর কষ্ট দেবে। ” খোলা চিঠি।

প্রিয় পাগলী
কেমন আছিস ?? বিরক্ত হচ্ছিস নাতো ?? মনের কোনে যদি আমার খবর জানার তিল পরিমান ইচ্ছা থেকে তবে শুনো “ আমি ভাল নেই ”

আমার সকাল শুরু তোকে নিয়ে রাত্রে দেখা স্বপ্ন ভেবে ভেবে। আমার দিনটা কাটে শুধু তোকে ভেবে ভেবে। মনে আছি কত পাগলামি ছিল সেই ভালোবাসায় কত গভীর ছিল সেই পাগলামি ?? কতটা মিশে ছিলাম নিজেদের মাঝে। তুই হয়তো অসব ভেবেই আজ কান্নায় ভেঙ্গে পড়িস। নাকি পড়িস না জানি না। আমাদের ছিলনা কোন বাঁধা। অবিরাম ঘাসফড়িঙের মত উড়ে বেরিয়েছি সারা শহর। আজ তোর ঠোঁটের স্পর্শও লেগে আছে গালে। হাতে লেগে আছে হাতের স্পর্শ। এই অনুভূতি আমি আজো বয়ে বেরাচ্ছি তোকে ভেবে। আমি ফেলতেও পারি না আবার আগলে রাখার কষ্ট সহ্য হয় না। মাঝে মাঝে মনে হয় এই কষ্ট পাবার জন্যই আমি বেঁচে আছি। Read the rest of this entry

আমাদের দেশ, আমাদের অহংকার । আমাদের ভাস্কর্য, আমাদের ইতিহাস।

১৯৭১। পৃথিবীর বুকে নতুন আরেকটি দেশ। বাংলাদেশ। এই দেশের মানুষ ভাষার জন্য প্রাণ দেয়। এই দেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দেয়। এই দেশের মানুষ সম্প্রীতির জন্য যুদ্ধ করে। এই দেশের মানুষ ৭১ এর পরেও দেশ থেকে শাত্রুদের নির্মূলে এক থালায় ভাত খেয়ে সংগ্রাম করেছে। এই দেশের মানুষ নিজেদের অস্তিত্ব, ইতিহাস, ঐতিহ্য ধরে রাখতে এখনো সংগ্রাম করে। আশা রাখি এখনো এই দেশের মানুষ ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ধরে রাখার জন্য সংগ্রাম করবে। সাথে থাকবে। যারা ভাস্কর্যের বিরোধীতা করছে তাদের বিতাড়িত করবে। যারা স্বাধীনতার বিরোধীতা করছে তাদের বিতাড়িত করবে। যারা আমাদের ইতিহাস লালন করতে দিচ্ছে না তাদের বিতাড়িত করবে। Read the rest of this entry